প্রথমত মেক্সিকোর উপর থেকে ট্যারিফ আপাতত বন্ধ হওয়ার জন্য JPY শক্তিশালী হওয়া থেকে রিলিফ পাচ্ছে কিছু সমসয়ের জন্য।

ট্রাম্প বলেছে যদি মেক্সিকো যথা সময়ের মদ্ধে ইমিগ্রেশন ইস্যুর সমাধান না করতে পারে সেক্ষেত্রে আবারো ট্যারিফের কবলে পরতে হতে পারে মেক্সিকোর৷

 সো যে কারনে একটা ঝুকি কিন্তু থেকেই যাচ্ছে, আর ট্রাম্পের যে স্বভান আজাইরা হুটহাট ট্যারিফ দিয়ে দেওয়ার৷ আর ট্রাম্প মার্কেট নিয়ে খেলতে ভালোবাসে এটা তার কর্মকান্ড দেখেই বুঝা যায়। সো এখনো কিছু সন্দেহ রয়েই যায়, আবার নতুন করে মেক্সিকো না ট্যারিফের কবলে পরে।

দ্বিতিয়তো গত সপ্তাহের শুক্রবার আমেরিকার লেবার মার্কেট থেকে একটা জিনিস স্পষ্ট, তাদের ইকোনোমিক্যাল গ্রোথ কমে গেছে হিউজ। এই সপ্তাহে CPI এবং Core CPI মানে ইনফ্ল্যাশন রিপোর্ট যদি খারাপ আসে এবং রিটেল সেলস, তাহলে ডলার অই যায়গাতেই নাই হয়ে যাবে। রিপোর্টগুলি খারাপ আসার কিছু বেসিক কারন হলো অয়েল প্রাইজ কম এবং লেবার মার্কেট রিপোর্ট ড্রপ। এবং CPI ফোরকাস্ট ও করেছে আগে থেকে কম, যদিও Core CPI পজিটিভ ফোরকাস্ট করে রেখেছে। যদি রিপোর্ট তিনটা এই সপ্তাহে খারাপ আসে সেক্ষেত্রে ডলারের সেল মোডে আটকানো কঠিন হবে, সো এর আগে হয়তো ডলার পজিশন ক্রিয়েট করে নিয়ে শক্তিশালী থাকতে পারে কিছুটা।


৩ নাম্বার কারন হলো FOMC এর ডভিশ এবং মনিটারি পলিসি ইজিং এর হিন্টস। পলওয়েল বলেছিলো তারা নজর রাখতেছে ট্যারিফের কারনে আমেরিকার ট্রেড ডিস্পিউট হচ্ছে কিনা। ট্যারিফের কারনে ট্রেড ডিস্পিউট হলে ইকোনোমি এক্সপেন শনের দরকার পরবে। সেক্ষত্রে রেট কাট করে মানি স্টিমুলেট দিবে ইকোনোমিতে তারা৷

যদিও পওয়েল রেট কাটের ব্যাপারে কিছুই বলে নাই, মনিটারি পলিসি ইজিং মানেও রেট কাট বাট সাথে মানি স্টিমুলেশন। শুধু রেট কারেনশি কে ইন্সট্যান্ট দুর্বল করে দেয়, কিন্তু যখন সেটাকে ঘুরিয়ে পেচিয়ে মনিটার পলিসি ইজিং এর নামে বলে তখন ইনভেস্টররা দেখে স্টিমুলেটের পরিমান। স্টিমুলেট বেশী হলে রেট কাটের নেগেটিভ প্রভাব সে কারেন্সিতে থাকে না। যার উওম উদাহারন AUD, রেট কাটের পরেও AUD বেশ স্ট্রং হয়েছলো বড় এমাউন্ট স্টিমেট দেওয়ার কারনে।


ফেড ফান্ড ফিউচারে দেখা যাচ্ছে, ৯০% চান্স আচজে রেট কাটের এই সেপ্টেম্বরে।

২০১৯ সালে USD সকল মেজর কারেনশির বিপরিতেই শক্তিশালী ছিলো। কিন্তু ট্যারিফের কারনে সকল দেসেরই ইকোনোমিক গ্রোথ কমে গেছে, যেকারনে সেন্ট্রাল ব্যাংক গুলি রেট কাট করে মানি স্টিমুলেট দিচ্ছে ইকোনোমিতে।

সো এই সপ্তাহে যদি ইনফ্ল্যাশন এবং রিটেল সেলস রিপোর্ট খারাপ আসলে, সেপ্টেম্বরে রেট কাট প্রাইজ ইন হওয়া শুরু করবে, সাথে বোনাস হিসেবে চিনের সাথে ট্যারিফ তো আছেই, সেক্ষেত্রে USD/JPY আবারো ১০৭.৭৫/৪৫ এরিয়া টেস্ট করে ফেলতে পারে।




LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here