1. সূচনা
  2. Bollinger Bands কি?
  3. Bollinger Bands সাপোর্ট এবং রেসিস্টেন্স
  4. মিডল ব্যান্ড
  5. Bollinger Bands ট্রেডিং স্ট্রেটেজি
  6. Bollinger Bands ট্রেন্ড ট্রেডিং
  7. Bollinger Bands রিভার্সাল ট্রেডিং মেথড
  8. উপসংহার

সূচনা

১৯৮০ সালে জন বলিংগার টেকনিক্যাল এনালাইসিসের জন্য মুভিং এভারেজের সাথে বাড়তি দুইটা ব্যান্ড ইউজ করে বলিংগার ব্যান্ড আবিষ্কার করেন। এর আগে জন বলিংগার দীর্ঘ দিন স্টক মার্কেটে টেকনিক্যাল এনালিস্ট হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ২০ SMA এর উপরে এবং নিচে দুইটা ট্রেডিং ব্যান্ড ইউজ করে নাম দেন বলিংগার ব্যান্ড। সাধারন মুভিং এভারেজের সাথে ডিভিয়েশন যোগ-বিয়োগ করে বলিংগার ব্যান্ডের বাড়তি দুইটা ব্যান্ড ক্রিয়েট করেন।  

স্ট্যান্ডার্ড ডিভিয়েশনে গাণিতিক ক্যালকুলেশনের মাধ্যমে মার্কেটের ভোলাটিলিটি মেজারমেন্ট করাই বলিংগার ব্যান্ডের মুল কাজ। যার সাথে আমরা সহজেই একটা শেয়ার বা কারেনশির অথবা অন্য যেকোন এসেটের ট্রু ভ্যালু নির্নয় করি। প্রাইজ ভোলাটিলিটি মেজার করে, এবং মার্কেট কন্ডিশনের উপর বেইজ করে বলিংগার ব্যান্ড এডযাস্ট অটোম্যাটিক হয়ে যায়। যে কারনে মার্কেট বেশীরভাগ সময় দুইটা ব্যান্ডের মাঝেই থাকে ( অবশ্যই হায়ার টাইম ফ্রেমে, লয়ার টাইম ফ্রেমে বলিংগার ব্যান্ড এডযাস্ট করে নেয় দ্রুত সেটা আপনাকে কনফিউশনে ফেলে দিবে)।  

Bollinger Bands কি?

বলিংগার ব্যান্ড মুলত আমাদের ধারনা দেয় মার্কেট ভোলাটিলিটি সম্পর্কে। শুধু মাত্র বলিংগার ব্যান্ডের দিকে তাকিয়েই আপনি বলে দিতে পারবেন মার্কেট অনেক বেশী ভোলাটাইল এখন নাকি শান্ত।

যখন মার্কেট শান্ত থাকে, তখন আপার এবং লোয়ার ব্যান্ড একটা আরেকটা খুব কাছে চলে আসে। যখন মার্কেট ভোলাটাইল থাকে তখন একটা ব্যান্ড থেকে আরেকটা ব্যান্ড অনেক দূরে সরে যায়। নিচের চার্টটা দেখেন কিভাবে আপার এবং লোয়ার ব্যান্ড মুভ করে  মার্কেট শান্ত এবং ভোলাটাইল উভয় সিচুয়েশনেই।

Bollinger Bands সাপোর্ট এবং রেসিসটেন্স

যারা টেকনিক্যাল করে তারা জীবনে প্রথম যে জিনিশটা শিখেছে সেটা সাপোর্ট এবং রেসিসটেন্স আকানো। টেকনিক্যাল সেকোন স্ট্রেটেজিতেই আসলে সাপোর্ট এবং রেসিস্টেন্স আছে বা লাগে। বলিংগার ব্যান্ড ও সাপোর্ট এবং রেসিস্টেন্স হিসেবে কাজ করে। বলিংগার ব্যান্ড ইউজ করলে আপনাকে চার্টে নতুন করে সাপোর্ট রেসিস্টেন্স ও আকাতে হবে না। নিচের চার্টের দিকে তাকান।

এটাকে বলে বলিংগার বাউন্স। এই বাউন্স ঘটার কারন হলো বলিংগার ব্যান্ড এখানে ডাইনামিক সাপোর্ট এবং রেসিস্টেন্স হিসেবে কাজ করে। ট্রেডাররা সহজেই সাপোর্ট এবং রেসিস্টেন্স স্ট্রেটেজি অনুযায়ী বাই/সেলের সিদ্ধান্ত নিতে পারে। আপনি যত বড় টাইম ফ্রেম ইউজ করবেন তত ভালো ফল পাবেন। মার্কেট যখন রেঞ্জ বাউন্ড বা সাইড ওয়ে মোডে থাকে তখনো বলিংগার ব্যান্ডের ডাইনামিক সাপোর্ট রেসিস্টেন্স খুব ভালো কাজ করে।

মিডল ব্যান্ড

আপনি হয়তো লক্ষ করবেন বলিংগার ব্যান্ডের মাঝে একটা ব্যান্ড থাকে। এটা মুলত 20 SMA. এটা বলিংগার ব্যান্ডে বাই ডিফল্ট হিসেবে থাকে। মার্কেট যখন রেঞ্জিং মোডে থাকে তখন  মিডল ব্যান্ড খুব একটা কাজ করে না। কিন্তু যখন মার্কেট স্ট্রং আপও বা ডাউন ট্রেন্ডে থাকে তখন কারেকশন লেভেল হিসেবে সুপার কাজ করে। ধরেন মার্কেট সেল মোডে আছে, তখন প্রতিবার মার্কেট কারেকশন করে মিডিল ব্যান্ড থেকে ড্রপ করবে। আবার যখন স্ট্রং আপট্রেন্ডে থাকবে তখন প্রতিবার মিডল ব্যান্ড থেকে কারেকশন করে মার্কেট উঠে যাবে। নিচের চার্টটা দেখুন।

উপরের চার্টে দেখা যাচ্ছে শক্তিশালী ডাউন ট্রেন্ড মার্কেট এবং প্রতিবার মিডল ব্যান্ড থেকে মার্কেট কারেকশন কমপ্লিট করেই পরে যাচ্ছে।

বলিংগার ব্যান্ডের তিনটা ব্যান্ড সম্পর্কেই ধারনা পাওয়া শেষ, এখন আমরা শিখবো কিভাবে বলিংগার ব্যান্ড দিয়ে ট্রেডিং স্ট্রেটেজি সাজাবেন।

Bollinger Bands ট্রেডিং স্ট্রেটেজি

. যারা প্রাইস চার্ট দেখে ট্রেড করেন তাদের কাছে, বলিংগার ব্যান্ড একটা বিশাল কিছু। টেকনিক্যাল ট্রেডারদের মাঝে মুলত দুই ধরনের ট্রেডার বেশী দেখা যায়।

১। ট্রেন্ড ট্রেডার

২। রিভার্সাল ট্রেডার

আর বলিংগার ব্যান্ড দিয়ে আপনি এক সাথে দুইতাই পাবেন। মানে একের ভেতর দুই। দুইটা ট্রেডিং মেথডই আপনি বলিংগার ব্যান্ড দিয়ে এস্টাব্লিশ করতে পারবেন।

Bollinger Bands ট্রেন্ড ট্রেডিং

স্টক বা কারেন্সি পেয়ারের যখন একটা নিদ্রিষ্ট ডাইরেকশনে চলে (সেটা হতে পারে আপ ট্রেন্ড বা ডাউন ট্রেন্ড) তখন তাকে ট্রেন্ড বলে। ট্রেডাররা বাই মোডে ঢুকে যখন মার্কেট উপরের দিকে উঠতে থাকে, আবার সেল মোডে ঢুকে যখন মার্কেট নিচের দিকে পরতে থাকে। আর একটা মিথ আছে ট্রেড ইজ ইউর ফ্রেন্ড।

ট্রেন্ড ট্রেডিং স্ট্রেটেজির মুল উপপাদ্যই হলো যখন মার্কেট উপরের দিকে মুভ করবে তখন উপরের দিকে উঠতেই থাকবে। আবার যখন নিচের দিকে যাবে তখন মার্কেট পরতেই থাকবে। মুলত ট্রেন্ড ট্রেডাররা চেষ্টা করে সুয়িং মুভগুলি ধরতে যখন মার্কেট একটা নিদ্রিষ্ট একটা ডাইরেকশনে চলে। আর আমাদের তখন মার্কেটে ঢুকতে হবে এবং কখন বের হতে হবে প্রফিট টেক করে সেটা বলিংগার ব্যান্ড দিয়ে সহজেই অনুমান করা যায়। মানে বেস্ট প্রাইজ লেভেলটা আপনি সহজেই আইডেন্টিফাই করতে পারবেন।

বাই মোডে ঢুকার জন্য: ট্রেড এন্ট্রি নেওয়ার জন্য আমাদের প্রথমে অপেক্ষা করতে হবে মার্কেট একটা নিদ্রিষ্ট দিকে মুভের জন্য। নিচের চার্টা দেখেন আপট্রেন্ড মার্কেটে কিভাবে ঢুকবো।

আমি GBP/JPY এর একটা চার্ট নিয়েছি ৪ ঘন্টার একটা ক্যান্ডেলের। আপনাকে আপ মুভের জন্য প্রথমে অপেক্ষা করতে হবে। তারপর অপেক্ষা করেন মার্কেট কখন মিডল ব্যান্ডে রিটেস্ট করে। মার্কেট যদি ৪ ঘন্টার কোন ক্যান্ডেল মিডল ব্যান্ডের উপরেই ক্লোজ এবং স্ট্যাবল হয় সে ক্ষেত্রে আপনি মিডল ব্যান্ড থেকে বাই মোডে ঢুকে যান। এবং প্রফিট টেক ক্রএন পরবর্তী ডেইলি রেসিস্টেন্স লেভেল থেকে। স্টপ লসের ক্ষেত্রে আগের দিনের সাপোর্ট বা ইনিশিয়াল লো স্টপ লসের জন্য ব্যাবহার করতে পারেন। অথবা আপনি ১: ২ অথবা ১:৩ রিস্ক রেশিও থিওরি ব্যাবহার করতে পারেন।  

সেল মোডে ঢুকার জন্য: একই কথা, ট্রেড এন্ট্রি নেওয়ার জন্য আমাদের প্রথমে অপেক্ষা করতে হবে মার্কেট একটা নিদ্রিষ্ট দিকে মুভের জন্য। নিচের চার্টটা দেখেন, ডাউন ট্রেন্ড মার্কেট।

এখানেও আমরা GBP/JPY এর ৪ ঘন্টার একটা চার্ট নিয়েছি। আপনাকে এখানে অপেক্ষা করতে হবে ডাউন ট্রেন্ড মুভের জন্য, এবং অপেক্ষা করবেন কখন মার্কেট মিডল ব্যান্ডে রিটেস্ট করবে। যদি মার্কেট মিডল ব্যান্ডের নিচের ৪ ঘন্টার ক্যান্ডেল ক্লোজ হয় তাহলে আপনি এন্ট্রি কনফার্মেশন পেয়ে গেলেন। শর্ত হলো মিডল ব্যান্ডের নিভে ক্যান্ডেল ক্লোজ হতে হবে।  ব্যান্ডের নিচে ৪ ঘন্টার ক্যান্ডেল ক্লোজ আপনি সাথে সাথে এন্ট্রি নেন। নেক্সট সাপোর্ট লেভেল থেকে প্রফিট টেকিং করে বেরিয়ে যান। আগের দিনের রেসিস্টেন্স বা সুয়িং হাই এরিয়াতে স্টপ লস ইউজ করেন। অথবা আপনি ১: ২ অথবা ১:৩ রিস্ক রেশিও থিওরি ব্যাবহার করতে পারেন।  

Bollinger Bands রিভার্সাল ট্রেডিং মেথড

রিভার্সাল ট্রেডাররা মুলত সাপোর্টে বাই এবং রেসিস্টেন্সে সেল মারে। সাপোর্ট এবং রেসিস্টেন্স আইডেন্টিফাই করা খুব কঠিন কিছু না মেজরিটি সময় বাট মাঝে মাঝে মার্কেট সাপোর্ট বা রেসিস্টেন্সে টাচ না করেই উঠে বা পরে যায়। অথবা সাপোর্ট রেসিস্টেন্সে ফেইক ব্রেক হয়ে মার্কেট আগের সাপোর্ট রেসিস্টেন্স ফলো করে। সেক্ষেত্রে আমাদের একটা নিদ্রিষ্ট রেটে সাপোর্ট রেসিস্টেন্স না ধরে পুরো এরিয়াটা ধরতে হয়। একটা সিংগেল রেট সাপোর্ট রেসিসটেন্স ধরলে ফেইক ব্রেক আউটের সময় ট্রেডাররা কনফিশনে পরে যায়।

সেক্ষেত্রে বেস্ট অপশন হলো একটা এরিয়াকে সাপোর্ট রেসিস্টেন্স ধরা এবং অপেক্ষা করে বলিংগার ব্যান্ডের নিচের ব্যান্ডের নিচে ক্যান্ডেল ক্লোজ হয় কিনা সেটা দেখা।যদি ব্যান্ডের উপরেই ক্লোজ হয় সেক্ষেত্রে ফেইক ব্রেক আউট করলেও সেই সাপোর্ট কাজ করেব। আর যদি লোয়ার ব্যান্ডের নিচে ক্লোজ হয়ে যায় সেক্ষেত্রে সাপর্ট ব্রেক আউট কনফার্ম করবে এবং কন্টিনিউশন করবে।  সেটা ১ পিপ্স থেকে ৫০ পিপ্স এর এরিয়াও হতে পারে। বাট এটা কাজ করবে অসাম।

বাই মোডে ঢুকার জন্য: যখন মার্কেট রেঞ্জিং মোডে থাকে তখন ব্যান্ড সহজেই সাপোর্ট রেসিস্টেন্স আইডেন্টিফাই করে ফেলে অটোমেটিক্যালি। তখন হয়তো আপনাকে চার্টে সাপোর্ট রেসিস্টেন্স বাড়তি করে আকাতে হবে না। নিচের চার্টটা দেখেন।

উদাহারন স্বরুপ বলা যায়, মার্কেট প্রাইজ আগের সাপোর্ট লেভেলের নিচে টাচ করলেও লোয়ার ব্যান্ডের উপরে ক্লোজ হয় তাহলে সাপোর্ট থেকে ব্যাক করবে আবার। সেক্ষেত্রে আমরা বাই মোডে ঢুকতে পারি। মাইন্ড ইট এটা কাজ করবে মার্কেট সাইড ওয়ে অর রেঞ্জিং মডের সময়। আর স্টপ লস প্রফিট টেকিং এর জন্য সেই আগের থিওরি বাট খুব টাইট স্টপ লস উজ করতে করে। যে ক্যান্ডেল্টা ফেইক ব্রেক আউট করে লোয়ার ব্যান্ডের উপরের ক্লোজ হয়েছে তার লো রেটেই স্টপ লস ইয়জ করতে হবে। আর প্রফিট টার্গেট নেক্সট রেসিস্টেন্স। এক্ষেত্রে আপনি ১: ২ অথবা ১:৩ রিস্ক রেশিও থিওরি ব্যাবহার করবেন না। অযথা স্টপ লস বাড়ানোর কোন মানে হয় না।

সেল মোডে ঢুকার জন্য: সেল মোডে ঢুকতে গেলেও সেইম, মার্কেট হায়ার ব্যান্ডের নিচে ক্লোজ হইলো কিনা, সেটা আগে দেখতে হবে। মার্কেট যদি হাআয়র ব্যান্দের নিচে ক্লোজ করে, ফেইক ব্রেক আউট হলেও আবার মার্কেট ড্রপ করবে। নিচের চার্টটা দেখেন।

মার্কেট হাইয়ার ব্যান্ড থেকে বার বার ড্রপ করেছে। সেক্ষেত্রে আমরা স্টপ লসের জন্য সেইম রেসিসটেন্স লেভেল থেকে কোন ক্যান্ডেলের সুয়িং হাই এর একটু উপরে দিবো। আর প্রফিট টেকিং এর জন্য নেক্সট সাপোর্ট জোন অথবা লোয়ার ব্যান্ডে টাচ করার সাথে সাথে প্রফিট টেক করে ফেলবো।

আপনি বলিংগার ব্যান্ডের কোন কাস্টমাইজ কোন ইন্ডিকেটর যদি বানাতে পারেন সবচেয়ে ভালো। কোন ব্যান্ড এখন কোন রেটে আছে, আপনি খুব ইজিলি ট্রেড করতে পারবেন। আমি নিজেও আমার পার্সোনাল ট্রেডের জন্য কাস্টমাইজ করে বলিংগার ব্যান্ড ইন্ডিকেটর বানিয়ে নিয়েছি। আমি পার্সোনাল ট্রেডের জন্যও এই বলিংগার ব্যান্ড ইউজ করি। রেজাল্ট অসাম!!  

উপসংহার

ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিসের চেয়ে টেকনিক্যাল এনালাইসিস কিছুটা সহজ। আপনি টেকনিক্যালি বিভিন্ন উপায়েই মার্কেট ট্রেন্ডিং নাকি রেঞ্জিং মোডে আছে সেটা আইডেন্টি ফাই করতে পারবেন। বলিংগার ব্যান্ড দিয়ে এই দুইটা জিনিসই খুব উত্তমভাবে ইউজ করা যায়। ট্রেডিং এ প্রতিটা ট্রেডারেরই একটা প্ল্যান থাকে এবং ট্রেডের রুলস থাকে। কেউ রিভার্সাল বা সুয়িং ট্রেডার কেউ আবার ট্রেন্ড ট্রেডার। আর বলিংগার ব্যান্ড দিচ্ছে একের ভেতর দুই।

আমার বানিয়ে নেওয়া কাস্টম বলিংগার ব্যান্ড

তবে আপনার স্ট্রেটেজিকে একমুখী হতে বলবো। বলিংগার ব্যান্ড দিয়ে সহজেই আপনি ট্রেড করতে পারবেন। আর আমার মত কাস্টম বলিংগার ব্যান্ডের ইন্ডিকেটর বানিয়ে নিতে পারলে সেটা আরো সহজ হয়ে যাবে ট্রেডের ক্ষেত্রে। একদিকে ভালো প্রফিট ও আসবে, অন্যদিকে ট্রেডে কনফিডেন্স পাবেন। অবশ্যই ডেমো প্র্যাক্টিস করে নিবেন আগে। আর কি রেজাল্ট পান সেটা জানাতে ভুলবেন না কমেন্টস করে।


LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here