একটু আগেই GBP এর আর্নিং রিপোর্ট রিলিজ হলো। আর্নিং যেহুতু ইনফ্ল্যাশনের সাথে জড়িত, অবশ্যই এটা গুরুত্বপূর্ণ রিপোর্ট।  ক্লাইমেট কাউন্ট চেঞ্জ রিপোর্ট কিছুটা খারাপ আসলে,  আন এমপ্লয়মেন্ট ৩.৮% এই বলবত আছে। তার মানে অভার ওল রিপোর্ট কোন ভাবেই নেগেটিভ বলা যাবে না। আর আর্নিং একাই অন্য রিপোর্ট দুইটির চেয়ে বেশী গুরুত্বপূর্ণ।  আর ৪% এর নিচে আন এমপ্লয়মেন্ট থাকলে সেটাকে পজিটিভ হিসেবেই ধরা হয়।

এটলিস্ট আর্নিং ভালো আসার ফলে ইনফ্ল্যাশনারি প্রবলেমে যে ইংল্যান্ড পরবে না এটা ঠিক।

২০০৮ সালের পর গত ৩ মাস ধরে আর্নিং খুব ভালো আসতেছে৷ ২০১৫ সালের অক্টোবরের পর এটাই সবচেয়ে দ্রুত গতিতে আর্নিং বাড়ার রেকর্ড।  ইংল্যান্ডের মুদ্রাস্ফিতি যে কন্ট্রোলে আছে সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না।


কিন্তু এত ভালো রিপোর্টের পরও GBP কোন ভাবেই ঘুরে দাড়াতে পারছে না। যেটা যেকোন কারেনশির বটম প্রাইজে কাজ করার কথা। বটম থেকে এমনিতেই উঠার জন্য মার্কেট ক্লু খুজে। কিন্তু পাউন্ডের এত ক্লুর পরও অনেকটা দুর্বল এখনো।

আগামী ৩১ শে অক্টোবর ফাইনাল ব্রেক্সিট হয়ে যেতে পারে। হার্ড ব্রেক্সিট হওয়ার চান্সই বেশী, যেকারনে কোন নিউজই পাউন্ড কে সাপোর্ট দিতে পারছে না।


পাউন্ডের জন্য দুইটা বড় ইস্যু এখনো বিদ্যমান।
১.  আইরিশ ব্যাকস্টপ ইস্যু।
২. ব্রেক্সিট ইস্যু।

প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ে এগিয়া থাকা জনশন এবং হান্ট দুজই বলেছে আইরিশ ব্যাকস্টপ ইস্যু মরে গেছে। আইমিন পাউন্ডের জন্য নেগেটিভ।

আবার হার্ড ব্রেক্সিটের ব্যাপারেও জনশন একাট্টা যদিও হান্ট চাইলে কোন ডিল হয়ে ব্রেক্সিট হোক।

এইযে দুইটা বড় বড় ইস্যু দুইটাই কাজ করতেছে পাউন্ডের জন্য নেগেটিভ হিসেবে। সেখানে ইকোনোমিক রিপোর্ট আসলে দাড়াতেই পারতেছে না।


আর্নিং যেহুতু ভালো এসেছে হয়তো GBP/USD ১.২৫০০ / ১.২৫২৫ এরিয়া পর্যন্ত কারেকশন করলেও করতে পারে, কিন্তু ডলারের রিটেল সেলস রিপোর্টগুলি সামান্য ভালো আসলেই আবার GBP/USD ড্রপ করার চান্সও অনেক বেশী।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here